দেশের বানিজ্যে নতুন দ্বার চট্টগ্রামের গভীর সমুদ্রবন্দর

রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ ১৪:৩৮


চট্টগ্রাম প্রতিনিধি 
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর বাস্তবায়ন হলে সবচেয়ে বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো নোঙর করতে পারবে। ফলে এ বন্দর মিয়ানমার-ভারতসহ আসিয়ান দেশগুলোকে সংযুক্ত করে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। 
রবিবার (২২ জানুয়ারি) মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনে যান নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির ১০ সদস্য। এসময় চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মাতারবাড়িতে ইতোমধ্যে আড়াইশ মিটার প্রস্থ এবং ১৪.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল তৈরি করা হয়েছে। এই চ্যানেলকে পাশে আরো ১০০ মিটার বাড়িয়ে গভীর সমুদ্র বন্দর করা হবে। এখানে বন্দর নির্মাণের জন্য এরমধ্যেই টেন্ডার জমা দেয়া হয়েছে। এখন টেন্ডারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। টেন্ডার পাস হলেই কাজ শুরু করা হবে। আশা করছি ২০২৬ সালে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর অপারেশনে যাবে। 
প্রকল্পটি পরিদর্শন শেষে সংসদীয় কমিটির সদস্যরা বলেছেন, পণ্য আমদানি-রফতানির জন্য বিশাল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হয়ে উঠবে এ বন্দর, যা দেশের অর্থনীতিতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
জানা গেছে, এই প্রকল্পের জন্য ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হতে আরো তিন বছর সময় লাগবে। তবে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রথম জেটিটি নির্মাণ করা হয় দু বছর আগে। সেখানে ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর থেকে গত বছরের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ১১১টি জাহাজ ভিড়েছে। এটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে ৩৫০ মিটার প্রস্থ এবং ১৮ মিটার ড্রাফট কিংবা ল্যান্থের জাহাজ বার্থিং নিতে পারবে। 
এসময় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপির নেতৃত্বে সংসদীয় কমিটির সদস্য এম এ লতিফ এমপি, রনজিত কুমার রায় এমপি, আসলাম হোসেন সওদাগর এমপি, এস এম শাহাজাদা এমপি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়াল এডমিরাল এম শাহজাহানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমএসি/আরএইচ